সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মৃত্যু বাই লেন


মৃত্যু আমার সমস্ত লেখাপড়া
শব দেহ জুড়ে জ্বলে পুরনো ছাই পাত্র
আমি আসলে কোথায় ছিলাম তাও
জানিনা শুধু, 
জানি কেবল ছুড়ে ফেলা
ছুড়ে ফেলতে ফেলতে আজকে এখানে
কালকে ওখানে অথবা তোমার দাওয়ায়
এই আমি জ্বলতে জ্বলতেই মস্তিষ্কে তোমার
পচন রোধের মলম নিয়ে, অপেক্ষায়

মৃত্যু, আমার হাতে দুমুঠো চাল চাই..
চাল ছাড়া আর কিছু নেই
তোমার মস্তিষ্কের পথে হাঁটতে হাঁটতে
আমি ক্লান্ত,
ছুড়ে ফেলা দূরত্বে দাড়িয়ে ভাবছি..
তুমিও আমায় সরিয়ে দেবে,
মৃত্যু, আমার দুমুঠো চাল চাই..
মৃত্যু আমার সমস্ত লেখাপড়া।




উনিশে জুলাই ,২০২০


মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

একটা বট গাছের মৃত্যু

আমরা যারা একুশ শতকে জন্মেছি, তারা বিশেষ মাঠ, গাছ পালা দেখিনি। দেখলেও দেখার সীমানাটা বেধে দিচ্ছিল এক শ্রেণীর উঠতি প্রমোটারেরা। এখনকার বাচ্চাদের দের কাছে মাঠটা আবার কল্প বিজ্ঞানের কাহিনী। মাঠ, গাছ, আকাশ যখন সবই আসতে আসতে ন্যাচারাল হেরিটেজ হয়ে যাচ্ছে তখন আমরা হওয়া খেতে রুফটপ ক্যাফেতে আসছি, সাতশো টাকার কফি খেয়ে মনে করছি চোদ্দশো টাকার প্রাণ পেলাম। এমন সময় আমাদের পাড়ায় কিছু গাছ দাড়িয়ে থাকে, যাদের বয়েসের গাছ পাথর নেই। কোনো প্রোমোটারও কাটতে আসছে না। আসলে অত ছোটো জায়গার তো মালিক হয় না। আমার পাড়ায় এমন একটা গাছ কে ছোট থেকে দেখছি। রিক্সার স্ট্যান্ডের ছাওয়া ও, সাথে লাগোয়া ছোট্ট একটা মন্দির আর ঢাউস আবর্জনা। এ পাড়ার কত প্রজন্ম গাছ টাকে দেখছে তার হিসেব আমি জানিনা, তবে বুঝতে পারি বটগাছ টাও আমাদের দেখছে। এটাও জানি, ও বুড়িয়ে গেলে পৌরসভাও ওকে কাটবে না বরং ওর চারপাশের বেদী তে অতিরিক্ত সিমেন্ট আটকে দেয়ে যাবে। মোটা গাথনি, যাতে আর না বাড়তে পারে। আমি ওই গাছ টাকে এখনও মরতে দেখিনি। তবে মরতে দেখেছি অন্য একটা বট গাছ কে। তার সাথে ফুরিয়ে যেতে দেখেছি একটা শহর, একটা প্রজন্ম কে.. ঠিক দশ বছ...

বিশ্বাস করে লেখা

তাকে চুপি চুপি ফেলে রেখে গেলি  মাঝে রাস্তায় পড়ে রইল অ্যালবাম, চিঠি দোতলার বারান্দা দিয়ে যাকে প্রতিদিন দেখতিস, ইতিউতি ঘুরে বেড়ায়  তাকেও দাঁড় করিয়ে রাখলি আদ্র তল্লাটে  ইচ্ছামতী আর সুবর্ণরেখার মাঝামাঝি  এখন তুই , ভরা গাঙ এখনো স্পর্শ করেনি কাছাকাছি কোন টিলায় বাঁধা রুকস্যাক এসব গল্পেরই এখনো বিশ্বাস করি  কোন আষাঢ়ে গল্প তৈরি করিনি বলে, বিশ্বাস রাখি- তোর ট্রেন লেট হবে না