এমন ভাবেই হয়ত আমাদের দেখা হওয়ার কথা ছিল একদিন যৌবন পেরিয়ে গিয়ে কোনো গ্রোসারিজ এর দোকানে। তুমি মশলাপাতি বাছতে বাছতে চট জলদি তাকাবে, তারপর আমাকে চিনতে পারলেই, দুজন মিলে দুশো ওয়ার্ডের শক খাবো, হাসবো কি? একবার হয়ত তুমিই হাসবে, চলে যাবে তারপর আমি তেমন কিশোর বেলার মতো স্বপ্ন দেখব এর পর থেকে। # এভাবেই আমাদের দেখা হওয়ার কথা ছিল সিনেমার মতো, কিন্তু আজ বড়ো অদ্ভুত বিকেলে তোমায় দেখলাম, অদ্ভুত বলেই কোনো প্রাক্তনের সাথে দেখা হওয়ার কথা নয়, তবুও সুন্দর তাই তোমার সাথে আগের মতই মানিয়ে গেছে ব্ল্যাক কন্ট্রাস্ট। নিয়ম মতো এর পরই আসার কথা ছিলো মৌসুমী বায়ুর, সেও হয়ত আটকে গেছে কোনো যানজটে, ফাঁপরে পড়েছে একা। তুমি শুনলে বলতে, ওসব জলবায়ুরাও নাকি আমারই মতো আসবে বললে একা আসে, তারপরই ওলটপালট। আসলে এমন ভাবেই সব সত্যি হয় এটা তুমি জেনে গেলে কারণ আমিও তো এক ঝটকাতেই জেনে গেলাম, মৌসুমী বায়ু আসার আগেই দু'এক পশলা বৃষ্টি হয়। # যদি বৃষ্টি আমাদের নিয়তি হয় তবে হোক, আমিও চাই লক্ষ্য লক্ষ...
মৃত্যু আমার সমস্ত লেখাপড়া শব দেহ জুড়ে জ্বলে পুরনো ছাই পাত্র আমি আসলে কোথায় ছিলাম তাও জানিনা শুধু, জানি কেবল ছুড়ে ফেলা ছুড়ে ফেলতে ফেলতে আজকে এখানে কালকে ওখানে অথবা তোমার দাওয়ায় এই আমি জ্বলতে জ্বলতেই মস্তিষ্কে তোমার পচন রোধের মলম নিয়ে, অপেক্ষায় মৃত্যু, আমার হাতে দুমুঠো চাল চাই.. চাল ছাড়া আর কিছু নেই তোমার মস্তিষ্কের পথে হাঁটতে হাঁটতে আমি ক্লান্ত, ছুড়ে ফেলা দূরত্বে দাড়িয়ে ভাবছি.. তুমিও আমায় সরিয়ে দেবে, মৃত্যু, আমার দুমুঠো চাল চাই.. মৃত্যু আমার সমস্ত লেখাপড়া। উনিশে জুলাই ,২০২০